1. admin@rajshahitribune24.com : admin :
  2. rajshahitribune192@gmail.com : editor man : editor man
দাম বাড়ছে ডিজেলের - Rajshahi Tribune24 | রাজশাহী ট্রিবিউন২৪
শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন

দাম বাড়ছে ডিজেলের

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৫৭ বার পঠিত

রাজশাহী ট্রিবিউন২৪ ডেস্ক :আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে দেশে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে যাচ্ছে সরকার। চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই এ ঘোষণা আসছে। এর ফলে শুরুতেই ডিজেলের দাম বাড়তে যাচ্ছে। তবে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অকটেনের দাম কমতে পারে। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এমন প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাজারের তেলের দরের সঙ্গে মিল রেখে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা। ‘ডায়নামিক পদ্ধতিতে’ তেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য একটি রূপরেখাও তৈরি হয়েছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজার দরের সঙ্গে সমন্বয় করে এলপিজির দাম নির্ধারণ করছে বিইআরসি। যদিও সে মূল্যহারের প্রতিফলন বাজারে নেই। একইভাবে প্রতি মাসে তেলের দাম নির্ধারণ করতে চায় মন্ত্রণালয়। তবে এখন মন্ত্রণালয় না বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) মূল্যহার সমন্বয় ও ঘোষণা করবে এ নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। এটি ঠিক হলেই মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা আসবে বলে জ্বালানি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে কম দামে তেল কিনে বেশি দামে বিক্রি করে গত পাঁচ বছরে বিপিসি ৪৬ হাজার কোটি টাকা মুনাফা করেছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লে দেশে বাড়ে। কিন্তু কমলে কমে না। এমন চর্চায় ক্ষোভ রয়েছে জনগণের মধ্যে। এখন একটি রূপরেখা বা ফর্মুলা অনুসরণ করে চলতে পারলে তা সরকার ও জনগণের জন্য ভালো বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বর্তমানে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০৯ টাকা। এছাড়া লিটারপ্রতি কেরোসিন, অকটেন এবং পেট্রোলের দাম যথাক্রমে ১০৯, ১৩০ ও ১২৫ টাকা।

 

বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে ব্যবহৃত মোট জ্বালানি তেলের ৭৩ দশমিক ১১ শতাংশ ডিজেল, পেট্রোল ৫ দশমিক ৮৬ এবং অকটেন ৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ। বর্তমানে দেশে বছরে জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে ৭০ থেকে ৭২ লাখ টন। এর মধ্যে ডিজেলের চাহিদা ৪৮ থেকে ৪৯ লাখ টন, যার ৮০ শতাংশ সরকার আমদানি করে। বর্তমানে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি হচ্ছে। আর পরিশোধিত তেল আমদানি হয় সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, আরব আমিরাত, কুয়েত, থাইল্যান্ড ও ভারত থেকে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর সাশ্রয়ী দামে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি হচ্ছে। এছাড়া আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে ডিজেল আমদানি নিয়ে আলোচনা চলছে। বেসরকারি খাতের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি তেল ডিজেল ও ফার্নেস অয়েল আমদানি করা হয়। এই তেল নিজ বিদ্যুৎকেন্দ্র ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহারের অনুমোদন নেই।

সূত্র : দৈনিক ইত্তেফাক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © 2022 রাজশাহী ট্রিবিউন ২৪
Theme Customized By Shakil IT Park
error: Content is protected !!